b3গ্রামের উচ্চবিত্ত ব্যবসায়ীর মেয়ে বিন্দু আকাশের প্রেমে পড়েই ক্ষান্ত হয়নি তার সকল দায়দায়িত্বও নিয়ে নিয়েছে। তাইতো আকাশের ইউনিভার্সিটির ভর্তির জন্য নিজের জমানো সব টাকা ও স্বর্ণালংকার বিক্রি করে সাহায্য করেছিলো আকাশকে। কথা ছিলো আকাশ যখন প্রতিষ্ঠিত হবে বিন্দুকে জীবন সাথী করে এর প্রতিদান দিবে। এদিকে পূর্বশত্রুতার জের ধরে বিন্দুর চাচা তছনছ করে দিলো বিন্দুদের সাজানো সংসার। পথিমধ্যে আকাশও ছিন্তাইকারীদের কবলে পড়ে হারালো সব কিছু। জীবনে লক্ষার্জনের ক্ষেত্রে দেখা দিলো গভীর অনিশ্চয়তা। আকাশ ও বিন্দুর মধ্যে দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ছিলো। ঘটনার পর আকাশ ও বিন্দু দু’জন দুদিক থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলো্ আকাশ ঘুরে দাঁড়িয়ে ছিলো ঠিকই কিন্তু বিন্দু পারলোনা একের পর এক দুঃখ এসে সব কিছু ওলট-পালট করে দিলো্। অবশেষে সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া এসিডে ঝলসে গেলো বিন্দুর সোনালী চেহারা। তার সুন্দর চেহারা এখন আর আগের মত নেই। যে কেউ তাকে দেখলে ভয় পায়। এ দিকে আকাশ তো অনেক বড় ষ্টার হয়ে কোটিপতি বনে গেলো। কোনো কিছুরই অভাব নেই তার, তাহলে?…………………………।
আকাশের সাথে বিন্দুর কোনো দিন আর দেখা হয়েছিলো কিনা তা আমাদের জানা নেই। বিন্দুর ভালোবাসা ভুলে গিয়ে আকাশ অন্য কাউকে আপন করেছিলো কিনা তাও আমাদের অজানা, অথবা বিন্দু কি তার সামর্থ্যের কথা চিন্তা করে নিজ থেকে সরে গিয়েছিলো কিনা তাও আমরা জানতে পারিনি। নাকি কোনো একদিন অনাকাঙ্খিতভাবে কোনো এক অচেনা জায়গায় দুজনের দেখা হয়েছিলো, ঐ মূহুর্তে আকাশ কি তার অতীত ভুলে দূরে সরে গিয়েছিলো? নাকি অনেক আবেগ ও ভালোবাসায় বিন্দুকে বুকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে কেঁদে বলেছিলো……….. আমিতো তোমার সৌন্দর্য্যকে ভালোবাসিনি আমি ভালোবেসেছি শুধু তোমার সুন্দর মনটাকে। অনেক বেশী ভালোবাসি শুধু ,শুধু ,শুধুই তোমাকে।